বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরার ফসলি জমিতে হলুদ ফুলে ভরে গেছে সরিষা

রিয়াজুল ইসলাম আলম,, সাতক্ষীরা
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

রিয়াজুল ইসলাম আলম,, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার ফসলি জমিতে সরিষার হলুদ ফুলে ভরে গেছে। সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে। ক্ষেতের পর ক্ষেত হলুদের সমারোহ। সরিষার ফুলে ফুলে মৌমাছির গুঞ্জনে কৃষকের মন আলোড়িত হচ্ছে। মধু আহরনে মৌমাছিরা মেতে উঠেছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হলুদের সমারোহ দেখে চোখ জুড়ে যায়। ক্ষেতের পর ক্ষেতে তরতাজা সবুজ সরিষা গাছাগুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে উঠায় কৃষককের মুখে হাসি ফুটেছে। বৃস্টি ও ঘন কুয়াশা না পড়ায় সরিষা চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলায় ১৮৭০ হেক্টর জমিতে, আশাশুনি উপজেলায় ১৬৫০ হেক্টর জমিতে কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৯৮০ হেক্টর জমিতে, শ্যামনগর উপজেলায় ১৫৭০ একটা জমিতে ও দেবহাটাটা উপজেলায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৭৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।সাতক্ষীরার কৃষি অফিস,বর্তমান উপদেষ্টা সরকারের দিক নির্দেশনা মেনে প্রতিটি উপজেলা কলারোয়া২২০০জন,আশাশুনি১৮০০জন,কালিগঞ্জ২০০০জন,শ্যামনগর ১৬০০জন, দেবহাটায় কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে ২১০০ জন কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়ায় সরিষার আবাদ বেড়েছে। তবে সময় মত মাটিতে জো না আসায় সরিষার আবাদ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে।
সাতক্ষীরার কৃষকরা তাদের জমিতে সরিষার কাজ করেছেন বিভিন্ন জাতের যেমন বারি সরিষা ১৪, ১৮ বিনা-৯ ও স্থানিয় জাতের সরিষা আবাদ করেছে। উপকূলীয় উর্বর জমিতে এ বছর আশানারুপ সরিষা উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা করছে।
দেবহাটা উপজেলার কাজীমহল্লা গ্রামে সরিষা চাষী আকবার আলী বিটলু (মেম্বার প্রার্থী),মোহাম্মদপুরের আলি,কালিগঞ্জ উপজেলার আখতারুল ইসলাম ডাবলু, কলারোয়া উপজেলার দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস, আশাশুনি উপজেলার রঞ্জন কুমার ঘোষ, ও শ্যামনগর উপজেলার সিরাজুল ইসলাম দৈনিক আলোর বাংলাদেশ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিকে জানান, তাদের ক্ষেতের আবাদকৃত সরিষা ভালো হয়েছে। এ ব্যাপারে দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ শওকত ওসমান জানান, ধান কাটতে দেরি হওয়ায় সরিষা আবাদ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কৃষকরা যদি আগাম জাতের ধান চাষ করে তাহলে ধান কাঁটার পর সময়মত সরিষা চাষে পূরা সময় পাবে। এ ব্যাপারে কৃষকদের আগাম জাতের ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তাছাড়া উপকূল এলাকার নিচু জমিতে জো আসে দেরিতে সে জন্য ফসল লাগাতেও দেরি হয়। এবছর জেলার প্রতিটি উপজেলায় সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয়ের সৃষ্টি না হলে সরিষার আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ