বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

বাগেরহাট সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের ড্রাইভার জামাল এর বিরুদ্ধে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও দম্পতিকে মারপিটের অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি রতন।
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি রতন।

বাগেরহাট সদর উপজেলা চেয়ার ম্যানের ড্রাইভার জামাল এর বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ ওই টাকা ফেরত চাওয়ায় দম্পত্তি কে মার পিটের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুক্ত ভোগী রহিমা বেগম(৪২)বাদী হয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন । আর ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের উৎকুল গ্রামে। ভুক্ত ভোগী রহিমা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর উৎকুল গ্রামের শেখ দেলোয়ার হোসেন এর স্ত্রী।
ভুক্ত ভোগীর পরিবার থানার অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে বাগেরহাট সদর উপজেলার চেয়ার ম্যান সরদার নাসির উদ্দিন এর ড্রাইভার জামাল, রহিমার ছেলে ওসমান গনিকে মোড়েল গঞ্জ উপজেলায় চাকরি দেবার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা নেন। জামাল,ওই উৎকুল গ্রামের বাসিন্দা, বাগেরহাটে তখনকার ক্ষমতাধর উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিনেরমাধম্যে চাকরি দিতে পারবে বলে ভুক্তভোগীর পরিবারকে আশ্বস্ত করেন। ভুক্তভোগের আর্থিক অ-সচ্ছলতার কারণে প্রাথমিক ভাবে জামাল,উদ্দিনের এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে জামাল, উদ্দিন বাড়িতে একাধিকবার ওসমান গনিসহ তার পরিবারকে বলে বিএ পাশ করে কেন বসে থাকবা সুযোগ যেহেতু আছে চাকারটা নেও। এই কথায় আশ্বস্ত হয়ে বাড়ির ৮ শতক জায়গা ৬ লক্ষ টাকা ও এনজিও থেকে ২ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে মোট ৮ লক্ষ টাকা জামাল উদ্দিনকে চেকের মা্ধ্যমে প্রদান করে। জামাল উদ্দিন চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে তারা তাদের পাওনা টাকা ফেরত চান। এ সময় একাধিকবার টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলেও একটি টাকাও প্রদান করেনি। গত ২০ অক্টোবর রবিবার উতকুল রাস্তার পাশে জামাল উদ্দিনের কাছে শেখ দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম পাওনা টাকার কথা বললেই সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে জামাল উদ্দিন ও তার দুই ছেলে হাসিব, মহিবুল্লাহ মিলে দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রীকে মেরে রাস্তার মধ্যে ফেলে দেয়। পরের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় রহিমা বেগম জানান, পাওনা টাকা চাইলেই জালাল উদ্দিন এর আগেও আমাদের পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধমকি দেয় ও মারতে আসে। টাকা চাইলেই সে জানাতো আমি নাসির চেয়ারম্যানের লোক বাগেরহাটের ১০ জনের ১ জন, তোমরা আমার কিছুই করতে পারবা না। এখন
জালাল আমাদের পরিবার নিয়ে বিভিন্ন স্থানে মিথ্যা, বানোয়াট কথা রটিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করছে। আমরা আমাদের পাওনা টাকা ফেরত ও আমাদের নির্যাতনের জন্য তাদের শাস্তি চাই।
এ ঘটনায় বাগেরহার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাইদুর রহমান জানান, হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ