সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন

লোহাগড়ায় দিঘলিয়া বাজারের নতুন চান্দিনায় দোকান ঘর বরাদ্দ নিয়ে ধোয়াসা, প্রকৃত ঘটনায় যা বললেন দোকানী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা

শরিফুজ্জামান, নড়াইল প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

শরিফুজ্জামান, নড়াইল প্রতিনিধি :

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া বাজারের নবনির্মিত চান্দির ঘর বিতরন সঠিক হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও বাজার সংশ্লিষ্ট দোকানীরা।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা ১১ টায় দিঘলিয়া বাজারে সরোজমিন ঘুরে স্থানীয় বাজার কমিটি ও কয়েকজন ব্যাবসায়ী ও ঐ চান্দিনার ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন আমরা সঠিক ভাবে, সঠিক নিয়ম মেনে দোকান ঘর বরাদ্দ পেয়েছি।

সুত্রে আরো জানা গেছে দিঘলিয়া বাজারে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর কতৃক ১৬ কক্ষ বিশিষ্ট একটি নতুন চান্দিনা নির্মান করা হয়। নির্মান শেষে মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক ওই চান্দিনার ঘর বরাদ্দ হয়েছে।

নতুন ঘর বরাদ্দ নিয়ে ওই চান্দিনার ব্যাবসায়ী মতিয়ার শেখ,মতিয়ার খান,খসরুজ্জামান,সাদেকুল ইসলাম,তৈয়বুর রহমান সহ ৬/৭ জন দোকানির সাথে কথা হলে তারা বলেন আমরা ক্ষুদে ব্যাবসায়ী, আমরা বিনা টাকায় চান্দির দোকান ঘর বরাদ্দ পেয়েছি। চান্দিনার দোকান ঘর বাবদ আমরা কাউকে কোন প্রকার টাকা প্রদান করি নাই। আমরা দীর্ঘ বছর যাবত এই বাজারে ব্যাবসা করে আসছি।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচায় বাছায় করে আমাদের চান্দিনার ঘর বরাদ্দ দিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটি। আল্লা পাকের ইচ্ছায় আমরা সুন্দর ভাবে ব্যাবসা করছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বাজারের কয়েক দোকানির সাথে কথা হলে তারা বলেন টাকা পয়সা লেনদেন হয়েছে এমন ঘটনা আমাদের জানা নাই। আমরা কোন দোকানী কোন ব্যক্তিকে চান্দিনার দোকান বরাদ্ধ বাবদ কাউকে কোন টাকা প্রদান করি নাই।

বাজার কমিটির উপদেষ্টা মোঃ আযম হোসেন ও সাবেক সভাপতি মোঃ তুহিন ইসলাম ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি মোঃ কামাল হোসেন বলেন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিঘলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ যাচাই বাছাই করে চান্দির দোকান ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

একটি মহল আমাদের নামে কুৎসা রটনা করেছে। তারা প্রমান দিতে পারলে আমাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে কোন আপত্তি থাকবেনা।
আপনারা জানেন বাজারে তিন শতাধিক ব্যাবসায়ী এই বাজারে ব্যাবসা করেন। এদের মাঝ থেকে ১৬ জনকে নতুন দোকান ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যারা বন্চিত হয়েছে তারা আমাদের নামে কুৎসা রটনা ও মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।

এবিষয়ে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ বোরহান উদ্দিনের সাথে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি বলেন ওই বাজারে বনিক সমিতির একটি সুসংগঠিত কমিটি রয়েছে। নতুন চান্দিনার দোকান ঘর বন্টনের ক্ষেত্রে বাজার কমিটি, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি ও আমি থেকে যাচাই বাছাই করে চান্দির দোকান ঘর বন্টন করা হয়েছে। আমি মৎস্য ও প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক চান্দিনায় ঘর শত ভাগ নিয়ম মেনে বন্টন করেছি।
অথচ একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ