
মোঃ আলমগীর আজিজ,টেকনাফ,কক্সবাজার।
মায়াবী নাফ নদী আর পাহাড়ের কোল ঘেঁষে অবস্থিত দেশের দক্ষিণ প্রান্তের জনপদ টেকনাফে বইছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দধারা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর নীল জলরাশির এই সীমান্ত শহরে ঈদ এসেছে সম্প্রীতি আর ঐতিহ্যের বার্তা নিয়ে।
টেকনাফের ঈদের আমেজ মানেই ঐতিহ্যের এক মিলনমেলা। এখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ঈদের সকালে ‘আখনি ভাত’ ও বিশেষ উপায়ে তৈরি ‘সেমাই’ দিয়ে অতিথি আপ্যায়নের এক দীর্ঘকালীন ঐতিহ্য রয়েছে। নাফ নদীর তাজা মাছ আর পাহাড়ের বিশেষ মশলার ঘ্রাণে ম ম করছে টেকনাফের প্রতিটি অলিগলি।
পর্যটন ও স্থানীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন
ঈদের ছুটিতে টেকনাফের সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক, মেরিন ড্রাইভ এবং নাফ নদীর পাড়ে ঢল নেমেছে পর্যটকদের। স্থানীয়রা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে মেতে উঠেছেন ভ্রাতৃত্বের উৎসবে। সীমান্ত ঘেরা এই জনপদে নাফ নদীর শান্ত জল যেন আজ শান্তির বার্তাই বয়ে আনছে।
ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টেকনাফবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়:
“ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই বিলিয়ে দেওয়া। আমাদের টেকনাফের গৌরবময় ঐতিহ্য আর সম্প্রীতি যেন এই ঈদের উছিলায় আরও সুদৃঢ় হয়। নাফ নদীর তীরের প্রতিটি ঘরে ঘরে বয়ে আসুক অনাবিল প্রশান্তি। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা— ঈদ মোবারক!”
নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনের লক্ষে টেকনাফের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত শহরের এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত।