সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন

বদর দিবস উপলক্ষে ঢাকা আলিয়া ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মিয়াদ হাসান স্টাফ রিপোর্টার।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

মিয়াদ হাসান
স্টাফ রিপোর্টার।

ঐতিহাসিক বদর দিবস উপলক্ষে ঢাকা আলিয়ায় ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর ঢাকা আলিয়ার অডিটোরিয়াম-এ এই আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া শাখা।

অনুষ্ঠানে ইফতারের আগে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বদর যুদ্ধের তাৎপর্য, ইসলামের ইতিহাসে এর গুরুত্ব এবং বর্তমান প্রজন্মের জন্য এর শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, বদর দিবস মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে এক অনন্য গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এই দিনের শিক্ষা হলো ঈমান, ত্যাগ, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা রাখা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আলিয়া ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক মোজাফফর হোসেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বদর যুদ্ধ মুসলমানদের জন্য আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের এক মহান দৃষ্টান্ত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসে। তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের ইসলামী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর পূর্বের সভাপতি ও ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বদর যুদ্ধের শিক্ষা শুধু ইতিহাসের একটি ঘটনা নয়, বরং এটি মুসলমানদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস। বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে নৈতিকতা, আদর্শ ও সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আলিয়া ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম এবং সেক্রেটারি গোলাম আজম জুবায়ের। এছাড়াও সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামের ইতিহাসে বদর যুদ্ধের গুরুত্ব অপরিসীম। ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে স্বল্পসংখ্যক মুসলমান বিশাল কুরাইশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করেন। এই বিজয় মুসলিম উম্মাহর আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করে এবং ইসলামের প্রচার-প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার শেষে সাংস্কৃতিক আসর ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের আয়োজন তরুণ সমাজকে ইসলামের ইতিহাস ও আদর্শ সম্পর্কে সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ