
তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বাঁশখালী পূর্ব জঙ্গল চাম্বল ৬ নং ওয়ার্ড গত ২১/২/২৬ইং মুক্তার আহমদ এর বাড়িতে আনুমানিক রাত ২:৩০ মিঃ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী মুক্তার আহমদ বলেন তাহার স্ত্রী গোলাপজল বেগম সেহরি তৈরী করার জন্য ঘুম থেকে উঠে রান্না ঘরে খাবার তৈরি করার সময় একদল ডাকাত গোলাপজল বেগমকে প্রথমে ধাক্কা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র দেখি তার গলায় থাকা একটি স্বর্ণের হার নিয়ে পেলে, তখন গোলাপজল বেগম চিৎকার দিয়ে উঠলে ঘরে থাকা তার স্বামী মুক্তার আহমদ এগিয়ে আসলে তাকেও ডাকাত দল মার ধর শুরু করে। ডাকাত দল ভুক্তভোগী স্বামী ও স্ত্রীকে হাত পা বেঁধে ফেলে ঘরে প্রবেশ করে , মুক্তার আহমদের ছেলে প্রবাসী তার বোনদের ইফতারি ও কাপড় চোপড় দেওয়ার জন্য এবং সাংসারিক খরচ করার জন্য দেওয়া ৫০ হাজার টাকা ডাকাত দল ওই টাকা লুট করে নিয়ে যায়, এই সময় ভুক্তভোগীরা কান্নাকাটি ও চিৎকার শুনে পার্শ্ববর্তী এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ডাকাত দল ঘটনাস্থাল থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। মুক্তার আহমদ ও তার স্ত্রী গোলাপজল বেগম ডাকাত দলের দুই সদস্যকে চিনে ফেললে তারা প্রথম চাম্বল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার জসিম উদ্দিনকে এই কথা জানান মেম্বার তাদের কথা শুনে তাদেরকে বললেন এই লোক গুলো খারাপ চরিত্রের তাদের বিচার করতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন তিনি। এবং তিনি আরো বলেন আপনারা আইনের আশ্রয় নেন, তখন ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম বাঁশখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে সি আর মামলা নম্বর ২২৮/২০২৬ দাখিল করেন , মহামান্য আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী দিন ধার্য করেন, ডাকাত দল মামলার কথা শুনে ভুক্তভোগী মোক্তার আহমদকে কেন মামলা করেছেন সে মর্মে ভুক্তভোগী কে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেন ।
ভুক্তভোগী মুক্তার আহমদ সাংবাদিকদের বলেন আমরা অসহায় গরিব লোক আমার দুই কন্যা সন্তান ও এক পুত্র সন্তান আছে, দুই কন্যা সন্তানকে বিবাহ দিয়ে দিয়েছি , এক পুত্র সন্তান বাহিরে প্রবাসে থাকেন ঘরের মধ্যে আমরা একা আমাদেরকে এভাবে আমাদের স্বর্ণালংকার ও টাকা ডাকাতি করে নেওয়ার পরও আমরা বিচার ছাওয়াতে আমাদের জান মালের নিরাপত্তা পাচ্ছিনা , আমি এই বিচার আমার এলাকাবাসী ও মহামান্য আদালতের কাছে প্রার্থনা করি আমরা যেন ন্যায় বিচার পাই, সাংবাদিকারা মেম্বার জসীম উদ্দিনের কাছে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে জসীমউদ্দীন এই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ ।