বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজার পেকুয়া রাজাখালি আরবশাহবাজার ভয়াবহ আগুন নিঃস্ব ১০ ব্যবসায়ী

তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

কক্সবাজার পেকুয়া রাজাখালী আরবশাহ বাজার (১০ জানুয়ারি) আনুমানিক রাত ২টার সময় বাজারের উত্তর লাইনে জলকদর খালের পাশে একটি ব্রয়লার মুরগি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পার্শ্ববর্তী দোকানদার এই আগুনে দেখে বাজার মসজিদের ইমাম সাহেবকে বললে ইমাম তৎক্ষণিক মসজিদের মাইকে এলান করলে বাজারে থাকা ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী এসে জল কদর খাল থেকে পানি উত্তোলন করে আগুন কোনরকম আয়ত্তের মধ্যে নিয়ে আসে। পরে কক্সবাজার পেকুয়া ফায়ার সার্ভিসে দুই ইউনিট ১১ জন সদস্য নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার শফিউল আলম এসে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। সাধারণ জনগণ ও বাজার কমিটি সেক্রেটারি আবুল বাশার বলেন ফায়ার সার্ভিস টেলিফোন করার প্রায় এক ঘন্টা দেরিতে আসার কারণে আমাদের বাজারের ব্যবসায়ী ভাইদের ক্ষয়ক্ষতি পরিমান বেশি হয়েছে, আবুল বাশার আরো বলেন, পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস থেকে আরবশাহ বাজারের দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার এই সামান্য দূরত্ব ফায়ার সার্ভিসে গাড়িগুলো আসতে যদি এক ঘন্টা লাগে তাহাতে আমরা তাদের গাফলিতি ছাড়া আর কি মনে করতে পারি।

ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্টেশন অফিসার শফিউল আলম বলেন আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজের জন্য সব সময় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি , কিন্তু মুঠোফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে আমাদের বাজারের লোকেশন নির্ণয় করতে অনেক দেরি হওয়াতেই আমাদের যাতায়াতের সড়কের পরিচয় না থাকার কারণে আমাদের আসতে দেরি হয়।

এটা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কিছু নেই।ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসারকে সাংবাদিকেরা ক্ষয়ক্ষতির প্রশ্ন করলে তিনি বলেন প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আমরা এসে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল অক্ষত উদ্ধার করি, এবং সম্পূর্ণ আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটার আবুল বাশার বলেন আমাদের ব্যবসায়ীদের সদস্য চাল ব্যবসায়ী আবুল কাশেম ও ইদ্রিস এবং কাপড় দুপি লন্ডিরের দোকান সন্তোষ ও আমির হোসেন লবণের মাঠের পলিথিন ব্যবসায়ী ও আসাব উদ্দিন কাঁচামালের ব্যবসায়ী ও ইউনুস ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী ও নুরুল আলম সবজি ব্যবসায়ী ও চিকিৎসক আমানুল্লাহ এবং মুক্তার আহমদের চায়ের দোকান এদের সম্পূর্ণ দোকানের জিনিসপত্র আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাজার কমিটির সেক্রেটার ধারণা করেন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকার হতে পারে।

ব্যবসায়ীদের এই ক্ষয়ক্ষতি দেখে এলাকাবাসী ও বাজার কমিটির মধ্যে সুখের ছায়া নেমে আসে, এবং তাদের সমবেদনা জ্ঞাপন করে। বাজার কমিটি আরো বলেন এই দুর্ঘটনার থেকে বাঁচতে নিজেকে স্বচেতন থাকতে হবে, এই সামান্য ভুলের কারণেই আজকেই সবাইকে পথে বাসতে হলো।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ