মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের সাথে কাতারের আমিরের ফোনালাপ

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতা নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ফোনালাপে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি বজায় রাখার চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন দুই নেতা। কাতারের পক্ষ থেকে দেয়া সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংঘাত এড়াতে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন আমির। সেই সাথে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার গুরুত্বও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

একই সময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। কাতারের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছানো হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন ইরানের এক কর্মকর্তা। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের দেয়া সাতটি বিশেষ দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রস্তাব নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে না তারা। বর্তমানে মার্কিন কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখছে বলে জানা গেছে।

ইরানের উত্থাপিত শর্তগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে জব্দকৃত ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, যেকোনো ধরনের প্রাথমিক আলোচনার টেবিলে পারমাণবিক ইস্যু অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের এই পথটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও, দেশগুলোর অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য থাকায় ভবিষ্যৎ আলোচনা কতটুকু সফল হবে তা এখনো অনিশ্চিত।