
মুরছালিন হোসেন, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি।
দিনাজপুরের বিরলে এক নারীর নিকট অবৈধপন্থায় সুবিধা আদায় না করতে পারায় তাঁর হাঁসের খামার ও ঘর-বাড়ীর আসবাবপত্র ভাঙ্চুর এর অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ধর্মজৈন গ্রামের তছির আলী এর স্বামী পরিত্যাক্তা এসিডদগ্ধ কন্যা মোছাঃ রহিমা বেগম (৩৮) অভিযোগে জানান, একই গ্রামের সৈয়ব বাঠা এর ছেলে মোঃ রিয়াজুল ইসলাম (৫০), ইসরাইল এর ছেলে সাখাওয়াত (৪০), কুদ্দুস আলী এর ছেলে আমিন (৪০), মকবুল হোসেন এর ছেলে মাহাতাব (৪০), বনগাঁও গ্রামের গুদুড় মুক্তি এর ছেলে মনির হোসেন (৩০)গনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন আমার পিতার নিকট পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে আমি প্রায় ৪০ বছর যাবত বসবাস করা অবস্থায় কারণে অকারণে জমাজমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমার সাথে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে আসছিল।
যার ফলে আমি উক্ত তাদের নামে বিরল থানায় গত ১৪ মার্চ-২০২২ তারিখে একটি অভিযোগ দায়ের করি। এমতাবস্থায় গত ২৮ মার্চ- ২০২৬ শনিবার সকাল ১০ টায় আমি দিনাজপুর জেলা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার বিহাই মোঃ লাল চাঁনকে জেল খানায় দেখতে গেলে দুপুর আনুমানিক ১২ টায় আমি বাড়ীতে না থাকার সুযোগে পরস্পর যোগসাজশে ও কু-পরামর্শক্রমে আমার টিন সেডের বসত বাড়ীর ভিতরে অনাধিকার প্রবেশ করে বাড়ীর ভিতরে থাকা জালের নেট ও তারের নেট দ্বারা হাঁসের খামার ভাংচুর করে খামারে থাকা ১০০টি হাঁস, ২০ বান ঢেউটিন, ৩০টি সিমেন্টের খুঁটি, ৪টি কাঠের ফ্রেম সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ইত্যাদি লুটপাট করে নিয়ে যায়। যাহার ফলে আমার প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে। আমি উক্ত ঘটনার বিষয়ে সংবাদ পেয়ে দ্রুত দিনাজপুর হতে নিজ বাড়ীতে আসি এবং দেখি যে, আমার হাঁসের খামারও নাই হাঁসও নাই। তখন আমি বর্ণিত ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় লোকজনের নিকট বিস্তারিত শুনি। লুটপাটকৃত আমার হাঁস, ঢেউটিন, সিমেন্টের খুঁটিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী রহিমা বেগম।
অপরদিকে, প্রতিপক্ষগণ বিভিন্ন প্রকারের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে লুটপাটের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য অপপ্রচার চালিয়ে আসছে বলেও ভূক্তভোগী অভিযোগ করেন।