বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

শ্রীপুরে পথচারী, অসহায়, ক্ষুধার্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেন ছাএনেতা নওশাদ মোস্তাক

উসমান গনি শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

উসমান গনি শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজার এলাকায় পথচারী, অসহায়, ক্ষুধার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন করেছেন শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী নওশাদ মোস্তাক। বুধবার দুপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ‘তরী রেস্টুরেন্ট’ সামনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ‘তরী রেস্টুরেন্ট’ গত চার বছর ধরে প্রতি বুধবার—জৈনা বাজার হাটের দিনে—দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ করে আসছে। শুরুতে রেস্টুরেন্টটির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই কার্যক্রম চললেও ধীরে ধীরে স্থানীয় হৃদয়বান ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনগুলো এতে যুক্ত হচ্ছেন।

আজকের আয়োজনের সহায়তায় ছিলেন ছাত্রদল নেতা নওশাদ মোস্তাক। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে পথচারীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন। চেয়ার-টেবিলে বসে অতিথিদের মতো সুশৃঙ্খলভাবে সবাই খাবার গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে নওশাদ মোস্তাক বলেন,
“রাজনীতির প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তরী রেস্টুরেন্টের এই মানবিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছি সামান্য সহযোগিতা করতে। সমাজের প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তি যদি এগিয়ে আসে, তাহলে কেউ না খেয়ে থাকবে না।”

খাবার খেতে আসা এক বৃদ্ধ পথচারী বলেন,
“প্রতিদিন মানুষের কাছে হাত পেতে চলি। কিন্তু এখানে এসে মনে হয়, কেউ কিছু দিচ্ছে না—আমরা নিজের মতো খেতে পারছি। আজ নওশাদ মোস্তাক নিজে খাবার দিলেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সম্মান।”

তরী রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়,
প্রতি বুধবার দুপুরে বিশেষ করে হাটের দিন দরিদ্র, ভিক্ষুক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য নির্ধারিত খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। মেনুতে থাকে ভাত, ডাল, সবজি, মুরগির মাংস বা মাঝে মাঝে গরুর মাংসসহ অন্যান্য পদ।

“শুরুর দিকে আমরা নিজেরাই করতাম, এখন সমাজের অনেকেই পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন। এতে মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও সহানুভূতি আরও বাড়ছে।”

স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগ কেবল খাবার নয়—বরং সামাজিক মর্যাদা ও সহানুভূতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে কেউ দাঁড়িয়ে নয়, বরং চেয়ারে বসে, অন্য অতিথিদের মতোই খাবার খেতে পারেন—যা অনেকের কাছে অভাবনীয় এক অভিজ্ঞতা।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ