বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

ইবিতে ফরিদপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির পুনর্মিলনী, নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায়

ইবি প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফরিদপুর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ফরিদপুর ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় অতিথিদের এবং নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়  ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

শনিবার (৯ আগষ্ট) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে (টিএসসিসি) এ আয়োজন করা হয়।

সাইফুল ইসলাম আলিফের সভাপতিত্বে এবং আয়েশা সিদ্দিকা মিষ্টি ও খায়রুজ্জামান খান সানির সঞ্চালনায় এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী,  কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রোকসানা মিলি, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল। 

এছাড়া অতিথি ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা আঃ হান্নান, প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি কামরুল হাসান, ইসলামী ফাউন্ডেশন ফরিদপুর শাখার ডেপুটি ডিরেক্টর মোঃ ইয়াসিন মিয়া, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক ড. মোঃ লুৎফর রহমান,  বিজেআইটি লিমিটেডের লিড সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটর দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সাবেক সভাপতি অ্যাডঃ মোস্তফা জামান উজ্জ্বল,  মোঃ মনিরুল ইসলাম, শহিদ আলম জাহিদ, এনামুল হক সুমন, মোঃ রফিকুল ইসলাম,  সাবেক সহ-সভাপতি কাজী রাকিবুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। 

সভাপতি সাইফুল ইসলাম আলিফ বলেন, “বৃহত্তর ফরিদপুর ছাত্রকল্যাণ সমিতি একটি যৌথ পরিবার। আজকের আয়োজনে বৃহত্তর ফরিদপুর(ফরিদপুর, মাদারীপুর,গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর) জেলার প্রবীণ ও নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে সেতু বন্ধন তৈরি হলো। এই সম্পের্কের মাধ্যমে আমরা একে অপরের সাথে সংযোগ থেকে যেকোনো বিষয় শেয়ার করতে পারবো, পরস্পর সাহায্য সহযোগিতা করতে পারব,একজনের বিপদে আরেকজন পাশে দাড়াতে পারবো। আশা করছি এই পরিবারের সদস্য তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।”

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “যারা পড়াশোনা শেষ করলে এটা মূলত একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করলে, কিন্তু এটাই শেষ নয়। তুমি চাইলে বাইরের দেশে গিয়েও এখন পড়াশোনা করতে পারো। তবে এগুলোই যথেষ্ট নয়, প্রফেশনকে সামনে রেখেও পড়াশোনা করতে হবে।  প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট এর জন্য নিজেরাই উদ্যোগ নিতে হবে। তোমাদের যোগ্যতা যত বাড়াবে এবং  যত বড় জায়গায় যাবে ততো বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় যেমন তোমাকে পড়াশোনা শেখায়, তেমনি মানুষও বানায়।  প্রত্যেকে তার ধর্মানুযায়ী মানষ হবে। নিজের জীবনকে সাজিয়ে নাও। তাহলে উভয় জীবনই ভালো হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পরিশ্রম এর বিকল্প কিছু নেই। পরিকল্পনা এবং পরিশ্রম তোমাকে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌছাবে। নবীনদের পৃথিবী জয় করতে হবে। জয় করতে হলে প্রথমদিন থেকে চেষ্টা করতে হবে। প্রথম দিন থেকেই মন্ত্র গ্রহন করবে, চ্যালেঞ্জ নিবে। শিক্ষক, ক্লাসরুম, লাইব্রেরি তে নিজের সময় ব্যয় করতে হবে। তাহলেই তোমরা গন্তব্যে পৌছাতে পারবে।”

উল্লেখ্য অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে অতিথিবৃন্দ, নবীণ, প্রবীণ ও সাবেকদের বক্তব্য অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়। 

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ