লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
ফারহিন মোস্তফা
উত্তরের জেলা লালমনিরহাট আজ প্রচন্ড ঘনকুয়াশার চাদরে ডেকে গেছে সেই সাথে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে |দিনমজুর ,অসহায়, গরিব মানুষ ও বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ যারা . বয়সের ভারে নূজ্য হয়েছে তারা বেকায়দায় পড়েছে সেই সাথে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ার শঙ্কায় তারা ইতিমধ্যে অনেকেই আক্রান্ত বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে |
তীব্র শীতের সঙ্গে হিমেল হাওয়া বইছে এ শিতে সব চাইতে বেশি কষ্টে জীবন - যাপন করছে জেলার বিভিন্ন আশ্রয় নেওয়া ছিন্নমুল ও দিন মজুর শ্রেণির হাজার হাজার মানুষ, শীতার্ত মানুষের পাশে দাড়াতে সরকারি সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি সমাজের বৃত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার প্রত্যাশা ভুক্তভোগী অসহায় মানুষদের।
এ মাসের শুরু থেকে ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাসের সিমান্ত বতী জেলা লালমনিরহাট শীতের তীব্রতা ক্রমেই বেড়ে চলছে। ফলে জেলার বাসিরা শিতে কাপছে। তবে এবার শীতের শুরুতেই সব চেয়ে কাবু হয়ে পড়েছে ছিন্ন মুল মানুষ। তিস্তা - ধরলা নদীর তীরবতি চরান্চলের দরিদ্র পরিবার ও দিনমজুর শ্রেণির সকল অসহায় মানুষেরা। শিতের তিব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সব চেয়ে বিপাকে পড়েছে ছিন্ন মুল জনগোষ্ঠী, শিশু বৃদ্ধ শ্রম জিবি খেটে খাওয়া মানুষ জন। এসব মানুষ খরকুটো জ্বালিয়ে শিত নিবারনের চেষ্টা করছে। অপরদিকে অসাভাবিক ঠান্ডায় জেলার ব্যাবসা বানিজ্য ও মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে ফলে আয় কমে গেছে দিনমজুরদের।
জেলা সহরে ঠান্ডা নিবারণের জন্য পুরাতন কাপড়এর দোকান গুলোতে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দাম বেশি হওয়ায় অনেকে তা কিনতে পাচ্ছে না, সব মিলে শিত ও হিমেল হাওয়ার স্বাভাবিক জিবন যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে । এদিকে শিতে বৃদ্ধ - শিশুরা সর্দি, জ্বর, আমাশয়, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এজমা সহ শিত জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অন্যান্য দিনের তুলনায় রাতে রাস্তা ঘাটে অল্প পরিমান যানবাহন চলাচল করছে। সব মিলে গত এক সপ্তাহে শিতে কাবু করে ফেলছে জেলাবাসিকে। সন্ধা নামার সাথে সাথে ঘন কুয়াশা ঢেকে যায় আকাশ প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু হয় বৃষ্টির মতো শিশির পড়া, বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে যায় না। দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ গুলো ঠান্ডায় কাজ কর্ম না করে অলস সময় পার করছে ঘরে বসে । লালমনিরহাট কালিগন্জ উপজেলায় খেটে খাওয়া শ্রমিক আমিনুর রহমান (৪০) লালন মিয়া (৫১) মহরম মিয়া তাদের সাথে কথা হলে তারা জানায় এই শিতে কাজে যাইতে পাচ্ছে না